তাসকিন — ইনজুরি, IPL প্রত্যাখ্যান, এবং নিউজিল্যান্ড সিরিজ।

২০২৬ সালে BCB-র কেন্দ্রীয় চুক্তিতে তাসকিন A+ থেকে নেমে Grade A-তে এসেছেন। ICC Cricket কারণটা পরিষ্কার — ফেব্রুয়ারিতে গোড়ালির ইনজুরি তাকে পুরো ২০২৫ সালের টেস্ট মৌসুম থেকে ছিটকে দিয়েছিল। ICC Cricket

তারপরেও সাদা বলে থেমে থাকেননি। ২০২৫ সালে ৬ ওডিআইতে ৮ উইকেট এবং ১৩ টি-টোয়েন্টিতে ২৪ উইকেট নিয়েছেন। ICC Cricket ইনজুরি তাকে থামাতে পারেনি, শুধু গতি কমিয়েছে।

IPL নিলামে গেলেন, ফিরলেন খালি হাতে। ৭৫ লাখ রুপি বেস প্রাইসে নাম উঠেছিল, কিন্তু কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি বিড করেনি। Ekhon মুস্তাফিজ গেলেন ৯ কোটিতে। তাসকিন গেলেন না। মুস্তাফিজও খেললেন না।

এই প্রত্যাখ্যান কি কম কষ্টের?

কিন্তু তাসকিনকে চেনার উপায় হলো — ইনজুরি থেকে ফিরে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ৪ ওভারে মাত্র ২৮ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন। Khobor Sangjog এটাই তাসকিন। চাপে আরো শক্ত হন। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলা শেষ ম্যাচেও ৩৭ রানে নেন ৪ উইকেট।

এখন সামনে নিউজিল্যান্ড সিরিজ। ১৭ এপ্রিল মিরপুরে প্রথম ওডিআই দিয়ে শুরু, শেষ ২৩ এপ্রিল চট্টগ্রামে। Rtbdnews BCB ইতোমধ্যে ৩১ জন ক্রিকেটারকে নিয়ে ফিটনেস ক্যাম্প শুরু করেছে — মূলত নিউজিল্যান্ড সিরিজ মাথায় রেখেই। Deshrupantor

নিউজিল্যান্ড পূর্ণ শক্তির দল নিয়ে আসছে না। IPL ও PSL-এর কারণে সান্টনার, রাচিন, গ্লেন ফিলিপস, লকি ফার্গুসনসহ বেশ কয়েকজন তারকা থাকছেন না। Rtbdnews

সুযোগ এসেছে।

এই সিরিজটা তাসকিনের জন্য শুধু জেতার সিরিজ না — নিজেকে আবার প্রমাণের সিরিজ। IPL-এর যে ক্ষত আছে, সেটা মাঠেই সারাতে হবে।

পাকিস্তান সিরিজে তাসকিন-মুস্তাফিজ-রানার কম্বিনেশনকে ক্যাপ্টেন মেহেদী নিজেই বললেন “জেতার সুযোগ বেশি দেয়।” ESPNcricinfo

সেই তাসকিন এখন ফিট। সেই তাসকিন এখন ক্ষুধার্ত।

নিউজিল্যান্ড প্রস্তুত তো?

#SH #TaskinAhmed #BanvsNZ #BangladeshCricket

তবু আমরা ক্রিকেট ভালোবাসি।

সরকার বলল দেখানো যাবে। JioStar বলল — না।

শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের কোটি কোটি ক্রিকেটপ্রেমী আইপিএল ২০২৬ সরাসরি দেখতে পাবে না। JioStar বাংলাদেশে তাদের সম্প্রচার চুক্তি বাতিল করে দিয়েছে। India TV News সরকার নমনীয় হলেও কোনো লাভ হলো না।

এটা নতুন না আমাদের জন্য। ২০২২ সালেও লিখেছিলাম — ৯০০ কোটি টাকার বোর্ড নিজের দেশে খেলা দেখাতে পারে না। ESPNcricinfo সেই ব্যর্থতার ধারা এখনো চলছে। শুধু এবার দোষটা BCB-র না, রাজনীতির।

পুরো গল্পটা শুরু হয়েছিল মুস্তাফিজকে নিয়ে। KKR-এ চুক্তি পাওয়ার পর BCCI-র নির্দেশে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। India TV News এরপর বাংলাদেশ IPL সম্প্রচার বন্ধ করে। তারপর T20 বিশ্বকাপ বয়কট। একটার পর একটা সিদ্ধান্ত — আর ভোগান্তি শেষমেশ দর্শকের।

মুস্তাফিজ এখন IPL-এ নেই। PSL-এ খেলছে ফিজ, ইমনরা। এবার IPL-এ কোনো বাংলাদেশি ক্রিকেটার নেই। Outlook India

তারপরও আশার কথা আছে।

পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজটা মনে আছে? তানজিদ হাসান তামিম ডিসাইডার ওডিআইতে ১০৭ রানের ইনিংস খেলেন। ESPNcricinfo তাসকিন নেন চার উইকেট। বাংলাদেশ জেতে। এই মাঠের লড়াই — এই জয়ের গল্পই আসল ক্রিকেট।

রাজনীতি আসবে যাবে। IPL দেখা হবে হয়তো, হয়তো না। কিন্তু মাঠে বাংলাদেশ লড়ে যাচ্ছে — সেটাই আমাদের।

এই মুহূর্তে সামনে নিউজিল্যান্ড সিরিজ। নতুন চ্যালেঞ্জ। নতুন সুযোগ।

চোখ রাখুন।

#SH #BangladeshCricket #IPL2026 #Mustafiz #BCB

এশিয়া কাপের ভেন্যু(২)

দুবাই ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়াম একটি আইকনিক স্টেডিয়াম।৩৫০ ফ্লাডলাইট বেষ্টিত এই স্টেডিয়ামের ডিজাইনকে ‘রিংস অফ ফায়ার’ বলা হয়। এই স্টেডিয়াম ২০০৯ সালে ইস্টাব্লিশড করা হয়। এর ধারনক্ষমতা ২৫০০০+ জন।এই মাঠে প্রথম ম্যাচ হয় ২০০৯ সালেই।এই স্টেডিয়ামের পিচ বেশ স্পোর্টিং।প্রথমে ব্যাট করে গড় সংগ্রহ ১৪৪ হলেও এই উইকেটে ২০০+ স্কোর অস্বাভাবিক নয়।এখন পর্যন্ত ৭৫ টি ম্যাচ হয় যার মাঝে ৩৪ বার প্রথমে ব্যাট করা দল জয়ী হয়।এই স্টেডিয়ামে হাইয়েস্ট স্কোর ২১১/৩ শ্রিলংকার।হায়েস্ট রান চেজ ১৮৩ আফগানিস্তানের। স্কোরিং রেট এ মাঠে ৭.২১।

এশিয়া কাপের ভেন্যু

এশিয়া কাপ চলে এসেছে।যে দুইটি মাঠে এশিয়ান শক্তির লড়াই হবে তার একটি হচ্ছে শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামএই স্টেডিয়াম ইস্টাব্লিশ করা হয় ১৯৮২তে।এই মাঠের দর্শকধারন ক্ষমতা ১৭০০০।এই মাঠে প্রথম ২০১৩ তে টি-২০ ইন্টারন্যাশনাল অনুষ্ঠিত হয়। এরপর এই মাঠে এখন পর্যন্ত ২৫টি টি-২০ ইন্টারন্যাশনাল অনুষ্ঠিত হয়। যার মধ্যে ১৬ বার প্রথমে যে টিম ব্যাট করেছে তারাই জিতেছে।এখানে টস বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এভারেজ স্কোরিং রেট ৭.২২। অতএব প্রথমে যারা ব্যাট করবে তাদের ১৬০+ করতে হবে ফাইটের জন্য।

এই মাঠেই বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ হবে ৩০ তারিখ।ম্যাচটি আফগানিস্তানের বিপক্ষে। এই মাঠের হাইয়েস্ট স্কোর হচ্ছে ২১৫। এই স্কোর করেছে আফগানিস্তান।বেস্ট ইনিংস ১১৮ সেটা মোহাম্মদ শেহজাদের।বেস্ট বোলিং ফিগার ৫/১৩ সামিউল্লাহ শিনওয়ারির।দুইজনই আফগানিস্তানের প্লেয়ার।এই মাঠে বাংলাদেশ দুইটি টি-২০ ইন্টারন্যাশনাল খেলে।দুটিতেই হেরে যায়।পাকিস্তান এই মাঠে ৪ ম্যাচ খেলে ৩ টিতে জিতে নেয়।
শ্রিলংকা ৪ ম্যাচ খেলে ২ ম্যাচ জিতে ২ ম্যাচ হারে
আফগানিস্তান ১০ ম্যাচ জিতে ১৩ ম্যাচ খেলে এই ভেন্যুতে।
তাই শারজাহর উইকেট বাংলাদেশের পক্ষে কথা বলছে তেমন নয়।তবে স্পিনারদের জন্য সুবিধা আছে এই পিচে।এই মাঠে প্রথম টি-২০ ইন্টারন্যাশনাল খেলবে ভারত।এর আগে ভারত এ মাঠে টি-২০ ইন্টারন্যাশনাল খেলে নাই।

AsiaCup2022

না চাওয়া বিদায়।

বিদায়ের সময়ে মেসি।

ইউটিউবে চ্যানেলটি থেকে যখন লাইভ শুরু হল অন্য চ্যানেলের মত এটিও শিডিউল করা ছিল।শুরুতে অন্য ভিডিওর মত প্রোমো গেল।এ যেন ভিন্ন আবেগ ছড়াচ্ছিল। প্রোমো চলাকালীন অবস্থায়ই প্রায় ৩ লক্ষ মানুষ ঐ চ্যানেলে ভিডিও দেখছিল।

বক্তা পোডিয়ামে এলেন।নিজের বক্তব্য রাখছিলেন।সেকেন্ডে সেকেন্ডে ভিউয়ার বাড়ছেই। উনি যখন ধন্যবাদ জানিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পরলেন তখন ভিউয়ার ছিল ৫ লাখ ৯০ হাজারেরও বেশি।

যখন স্ট্যান্ডিং অভেশন শেষ হল তখন ভিউয়ার সংখ্যা ৬ লক্ষ ৫৩ হাজার পেরিয়ে গেল।সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তর পর্বে ভিউয়ারের সংখ্যা ৬ লাখ ৫০ হাজারের নিচে নামেনি।এটা কেবল ইউটিউবের একটি চ্যানেলের হিসেব।এই লাইভ ফেসবুক বা অন্যান্য সোশ্যাল প্লাটফর্মে ভিউ হয়েছে।

আমি হিসেবটা দিলাম লাইভ চলাকালীন আশেপাশের হিসাব।তাও এক চ্যানেলের।

ঐ ভিডিওটি লাইভ অবস্থায় কম বেশি ৭ কোটি মিনিটের বেশি সময় দেখা হয়।
লাইভ ভিডিওটি বার্সেলোনা চ্যানেলের মেসির বিদায়ের অফিশিয়াল প্রেস কনফারেন্সের।

জানিনা ফিরবেন কিনা ২০২৩ এ এফসিবিতে জাদুকর।
সেই খেলা দেখার সময় শেষ হয়ে যায় এই বিদায়ের পর।

উইন উইন গল্প

ছবি:সাকিব আল হাসান।

সাকিব আল হাসান বিসিবির সাথে গত ১৬ বছরেরও বেশি সময় কাটিয়ে দিলেন।বাংলাদেশের সাথে ৩৫ বছরেরও বেশি সময়।তাই বিসিবির মাইন্ডসেট আর বাংলাদেশের মানুষের সাইকোলজি বুঝতে একদমই কঠিন হওয়ার কথা না সাকিবের।সাইকোলজি বোঝার ক্ষেত্রে সে বেশ পটু।

যা ঘটে গেল এশিয়া কাপ সামনে রেখে।এরকম সিচুয়েশনগুলোয় সাকিব বিসিবি মুখোমুখি দাঁড়িয়ে যায়।সেটা ইচ্ছাকৃত হোক বা অনিচ্ছাকৃত।
সাকিবের এই ডিসিশনে তিন পক্ষেরই লাভ হলো।

টোটাল উইন উইন গেইম।

সরাসরি সম্প্রচারে ব্যর্থ এক সিরিজ

প্রচন্ড রাগ থেকেই লিখতে বসা।

মানে সিরিয়াসলি ৯০০ কোটি টাকার ক্রিকেট বোর্ড নিজেদের দেশে খেলা সম্প্রচারে আক্ষম।২০০৩ সালের পর এটাই প্রথমবার।সর্বশেষ অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ পাশের দেশের চ্যানেলে দেখেছিলাম।দিনে দিনে বোর্ডটা বড় হল উন্নত হল।কিন্তু স্ট্রিমিং এর যুগে এসে তারা এখনও পিছিয়ে থাকা ঘোড়াদের একটা।

যেসব জায়গায় দেখা যাবে

আগামিকাল শুরু হতে যাওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে টেস্ট ম্যাচ দেখতে কারো সমস্যা হবেনা কিন্তু দেশের কোন চ্যানেল সরাসরি সম্প্রচার করতে পারল না।আমাদের স্পোর্টস চ্যানেল নাকি অন্যদেশের খেলা দেখাবেন।

যেসব চ্যানেলে দেখা যাবে খেলা ইউটিউবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের অফিশিয়াল চ্যানেলে।
এছাড়া স্টার স্পোর্টস, টিএসএন,ফক্স স্পোর্টস, উইলোতে দেখা যাবে খেলা।

তবু ২০২২ এ এসে ৯০০ কোটি টাকার বোর্ড দেশের টিভিতে খেলা দেখাতে পারেনা।

দুই দেশের কালচার ফুটে উঠার সিরিজ

হোটেলে কোনো রুম সার্ভিস গ্রহণ করছে না অজিরা।
তারা ভালমতো জানে তাদের কি দরকার।
অনেকেই বিরক্ত হচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ার এরকম শর্তে কিংবা সাবধানি আচরণে।


আমার তো মনে হচ্ছে তারা একটা উদাহরণ সেট করে দিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশের ক্রীড়া রিলেটেড সকলের জন্য।নিজেরা নিজেদের ভাল না বুঝলে অন্যকেউ বুঝায় দিবে না।

আরেকটা ইনফরমেশন দেই,গত বছর অজি প্লেয়াররা যারা আইপিএল খেলেছিলেন তাদেরকে সরাসরি অস্ট্রেলিয়া যেতে নিষেধ করে দেয়া হয় কোভিড সিচুয়েশনের জন্য।অস্ট্রেলিয়ান বোর্ড সাফ জানিয়ে দেয় তারা নিজ উদ্যোগে গেছে।তাদের দায় তারাই নিবে।

পরে অস্ট্রেলিয়ার সব প্লেয়ার প্রথমে মালদ্বীপে যায় সেখানে কোয়ারেন্টিন সম্পন্ন করে।সেখান থেকে অস্ট্রেলিয়া যায়।কারন তখন ভারতে চলছিল ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের তান্ডব।

আর এই টিম এসেছে বোর্ডের দায়িত্বে অতএব এমনটা আমি স্বাভাবিক দেখি।বিসিবি নিজেদের ভাল বুঝে থাকলে তাদের ভালটার প্রতি রিস্পেক্ট রাখা উচিত এবং রাখছেনও তারা।কিন্তু সংবাদ মাধ্যম রেস্পেক্ট রাখছে কি!
সোশ্যাল প্লাটফর্মে এত ট্রল মিম করে লাভ নেই!
এরকম প্যান্ডামিকে অতি সাবধানে চলাটাই ভাল।

৫ ম্যাচ টি-টুয়েন্টি সিরিজ খেলতে অস্ট্রেলিয়া এখন বাংলাদেশে।৩ ও ৪ তারিখ দুইটি টি-টুয়ান্টি এরপর ৫ তারিখ ব্রেক নেয়ার পর ৬, ৭ তারিখ দুইটি টি-টোয়েন্টি এরপর সর্বশেষ টি-২০ এ মাসের নয় তারিখ।

উইলিয়ামস ও তাদের কারিগর

সেরেনা উইলিয়ামস এবং ভেনাস উইলিয়ামস টেনিস দুনিয়ার দুই রানী।শুধু নারীদের মধ্যে কেন পুরুষ টেনিস তারকাদের যখন তখন হারিয়ে দেয়ার ক্ষমতা রাখে।

দুই বোনের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়ে উঠার গল্পটা যতটা অনুপ্রেরণা দেয়।কিন্তু এর পিছনের মুল কারিগরের গল্পটা খুব বেশি প্রচলিত নেই।সেই কারিগর এবং দুই উইলিয়ামস এর ছোটবেলার গল্প নিয়ে নতুন মুভি আসছে।
সেই কারিগর আর কেউ নন রানীদের পিতা। এই চরিত্রে অভিনয় করেছেন হলিউডের ব্যাড বয় নামে পরিচিত উইল স্মিথ।

“কিং রিচার্ড ” নামের মুভিটি নভেম্বরের ১৯ তারিখ এইচবিও ম্যাক্সে স্ট্রিম করা হবে।
অনেকটা অপ্রচলিত গল্পই উঠে আসবে মুভিতে।

রিচার্ড — বল তো ভেনাস, তোমার বেস্ট ফ্রেন্ড কে?
ভেনাস— তুমি বাবা।
রিচার্ড— আপনি বলেন তো সেরেনা??
সেরেনা— ভেনাস। পরে তুমি বাবা।
রিচার্ড অবাক।
সেরেনা ভেনাস হাসছে।

ভিন্ন কিছুর অপেক্ষায়।

ভুলে যাওয়া সেলিব্রেশন..

২০১৫ এর আজকের দিনে ডেভিড মিলারকে সাব্বিরের দুর্দান্ত ক্যাচে পরিণত করিয়ে নিজের ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ২০০তম উইকেট তুলে নেন মাশরাফি।

২৩ শে নভেম্বর ২০০১ সাল।চট্টগ্রামে বাংলাদেশ বনাম জিম্বাবুয়ের প্রথম ম্যাচে অভিষিক্ত হন তিন জন বাংলাদেশী।তারা হলেন ফাহিম মুনতাসির,তুষার ইমরান এবং মাশরাফি বিন মোর্তজা।তখন কে জানত এই তিনজনের একজনের হাত ধরে বাংলাদেশ প্রথমবারের মত ওয়ার্ল্ডকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে বা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে খেলবে।

সেই ম্যাচ বাংলাদেশ হেরে গেলেও মাশরাফি তার ছাপ রাখেন ব্যাটসম্যানদের সমীহ এবং উইকেট দুটোই আদায় করে।তখন সবাই আসা করতে থাকে যে ম্যাগ্রাথ, ভাস, ওয়াসিম, শোয়েবদের মত ২২ গজে গতির ঝড় উঠাতে কেও উঠে আসছে বাংলাদেশ থেকে।

ইনজুরি নামের অভিশাপ কেড়ে নিল সব আশা। ইনজুরির কারনে তিনি খেলায় নিয়মিত হতেই পারছিলেন না।নইলে আজ হয়ত তার উইকেট সংখাটা ৪০০+ থাকতেই পারত।

ইনজুরির কারনে সর্বশেষ সাদা পোশাকে খেলেছিলেন ২০০৯ এ। মাশরাফি ইনজুরির কাছে অনেকবার হেরে গেছেন কিন্তু দমে যাননি।২০১১ সালে বিশ্বকাপ ঘরের মাটিতে।প্রথম ম্যাচ ভারতের বিরুদ্ধে যে ভারতকে ২০০৭ বিশ্বকাপে হারিয়ে ইতিহাস রচনায় মুল ভুমিকা পালন করেন মাশরাফি।কিন্তু ঘরের মাটিতে খেলা হওয়া সত্ত্বেও স্কোয়াডে নেই তিনি।কারন ইনজুরি।

অনেকটা মুষড়ে পরেন মাশরাফি।কিন্তু আবার ফিরে আসার যুদ্ধ শুরু করেন এবং বেশ শক্ত হয়েই ফিরে আসেন মাঠে।সামনে থেকে নেতৃত্ব দেয়ার সুযোগ যখন পেয়ে যান তখন দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে হারিয়ে দেন বিগ থ্রি এর তকমা লাগানো ইংল্যান্ডকে।বাংলাদেশকে নিয়ে উঠে যান প্রথমবারের মত কোয়ার্টার ফাইনালে ২০১৫ তে।

দেশে ফিরে বাংলাদেশ তার জয়রথ ছোটাতেই থাকে।প্রথমে পাকিস্তানকে হোয়াইট ওয়াশ পরে ভারত এবং দক্ষিন আফ্রিকার মত দলকে সিরিজে পরাজিত করা।এরমাঝেই মাশরাফি তার ২০০তম উইকেট তুলে নেন। যা বাংলাদেশীদের মধ্যে দ্বিতীয়।প্রথমবার নিয়েছিলেন সাকিব আল হাসান।

অনেক খেলোয়ারই আছেন ক্রিকেটে যারা দুই একবার অপারেশনের পর খেলা ছেড়ে দেন।আর মাশরাফি একজন ইনজুরি তাকে যত জর্জরিত করুক না কেন উনি হেরে গিয়েও ঘুরে দাড়িইয়েছেন বারবার।

হয়তবা ৪০০+ উইকেট নেওয়া হয়নি কিন্তু বাংলাদেশকে একটা অবস্থানে দাড় করানো কম কিছু নয়।

সেলিব্রেশন_২০০

MASH

SAKIB