এশিয়া কাপের ভেন্যু(২)

দুবাই ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়াম একটি আইকনিক স্টেডিয়াম।৩৫০ ফ্লাডলাইট বেষ্টিত এই স্টেডিয়ামের ডিজাইনকে ‘রিংস অফ ফায়ার’ বলা হয়। এই স্টেডিয়াম ২০০৯ সালে ইস্টাব্লিশড করা হয়। এর ধারনক্ষমতা ২৫০০০+ জন।এই মাঠে প্রথম ম্যাচ হয় ২০০৯ সালেই।এই স্টেডিয়ামের পিচ বেশ স্পোর্টিং।প্রথমে ব্যাট করে গড় সংগ্রহ ১৪৪ হলেও এই উইকেটে ২০০+ স্কোর অস্বাভাবিক নয়।এখন পর্যন্ত ৭৫ টি ম্যাচ হয় যার মাঝে ৩৪ বার প্রথমে ব্যাট করা দল জয়ী হয়।এই স্টেডিয়ামে হাইয়েস্ট স্কোর ২১১/৩ শ্রিলংকার।হায়েস্ট রান চেজ ১৮৩ আফগানিস্তানের। স্কোরিং রেট এ মাঠে ৭.২১।

এশিয়া কাপের ভেন্যু

এশিয়া কাপ চলে এসেছে।যে দুইটি মাঠে এশিয়ান শক্তির লড়াই হবে তার একটি হচ্ছে শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামএই স্টেডিয়াম ইস্টাব্লিশ করা হয় ১৯৮২তে।এই মাঠের দর্শকধারন ক্ষমতা ১৭০০০।এই মাঠে প্রথম ২০১৩ তে টি-২০ ইন্টারন্যাশনাল অনুষ্ঠিত হয়। এরপর এই মাঠে এখন পর্যন্ত ২৫টি টি-২০ ইন্টারন্যাশনাল অনুষ্ঠিত হয়। যার মধ্যে ১৬ বার প্রথমে যে টিম ব্যাট করেছে তারাই জিতেছে।এখানে টস বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এভারেজ স্কোরিং রেট ৭.২২। অতএব প্রথমে যারা ব্যাট করবে তাদের ১৬০+ করতে হবে ফাইটের জন্য।

এই মাঠেই বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ হবে ৩০ তারিখ।ম্যাচটি আফগানিস্তানের বিপক্ষে। এই মাঠের হাইয়েস্ট স্কোর হচ্ছে ২১৫। এই স্কোর করেছে আফগানিস্তান।বেস্ট ইনিংস ১১৮ সেটা মোহাম্মদ শেহজাদের।বেস্ট বোলিং ফিগার ৫/১৩ সামিউল্লাহ শিনওয়ারির।দুইজনই আফগানিস্তানের প্লেয়ার।এই মাঠে বাংলাদেশ দুইটি টি-২০ ইন্টারন্যাশনাল খেলে।দুটিতেই হেরে যায়।পাকিস্তান এই মাঠে ৪ ম্যাচ খেলে ৩ টিতে জিতে নেয়।
শ্রিলংকা ৪ ম্যাচ খেলে ২ ম্যাচ জিতে ২ ম্যাচ হারে
আফগানিস্তান ১০ ম্যাচ জিতে ১৩ ম্যাচ খেলে এই ভেন্যুতে।
তাই শারজাহর উইকেট বাংলাদেশের পক্ষে কথা বলছে তেমন নয়।তবে স্পিনারদের জন্য সুবিধা আছে এই পিচে।এই মাঠে প্রথম টি-২০ ইন্টারন্যাশনাল খেলবে ভারত।এর আগে ভারত এ মাঠে টি-২০ ইন্টারন্যাশনাল খেলে নাই।

AsiaCup2022

না চাওয়া বিদায়।

বিদায়ের সময়ে মেসি।

ইউটিউবে চ্যানেলটি থেকে যখন লাইভ শুরু হল অন্য চ্যানেলের মত এটিও শিডিউল করা ছিল।শুরুতে অন্য ভিডিওর মত প্রোমো গেল।এ যেন ভিন্ন আবেগ ছড়াচ্ছিল। প্রোমো চলাকালীন অবস্থায়ই প্রায় ৩ লক্ষ মানুষ ঐ চ্যানেলে ভিডিও দেখছিল।

বক্তা পোডিয়ামে এলেন।নিজের বক্তব্য রাখছিলেন।সেকেন্ডে সেকেন্ডে ভিউয়ার বাড়ছেই। উনি যখন ধন্যবাদ জানিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পরলেন তখন ভিউয়ার ছিল ৫ লাখ ৯০ হাজারেরও বেশি।

যখন স্ট্যান্ডিং অভেশন শেষ হল তখন ভিউয়ার সংখ্যা ৬ লক্ষ ৫৩ হাজার পেরিয়ে গেল।সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তর পর্বে ভিউয়ারের সংখ্যা ৬ লাখ ৫০ হাজারের নিচে নামেনি।এটা কেবল ইউটিউবের একটি চ্যানেলের হিসেব।এই লাইভ ফেসবুক বা অন্যান্য সোশ্যাল প্লাটফর্মে ভিউ হয়েছে।

আমি হিসেবটা দিলাম লাইভ চলাকালীন আশেপাশের হিসাব।তাও এক চ্যানেলের।

ঐ ভিডিওটি লাইভ অবস্থায় কম বেশি ৭ কোটি মিনিটের বেশি সময় দেখা হয়।
লাইভ ভিডিওটি বার্সেলোনা চ্যানেলের মেসির বিদায়ের অফিশিয়াল প্রেস কনফারেন্সের।

জানিনা ফিরবেন কিনা ২০২৩ এ এফসিবিতে জাদুকর।
সেই খেলা দেখার সময় শেষ হয়ে যায় এই বিদায়ের পর।

উইন উইন গল্প

ছবি:সাকিব আল হাসান।

সাকিব আল হাসান বিসিবির সাথে গত ১৬ বছরেরও বেশি সময় কাটিয়ে দিলেন।বাংলাদেশের সাথে ৩৫ বছরেরও বেশি সময়।তাই বিসিবির মাইন্ডসেট আর বাংলাদেশের মানুষের সাইকোলজি বুঝতে একদমই কঠিন হওয়ার কথা না সাকিবের।সাইকোলজি বোঝার ক্ষেত্রে সে বেশ পটু।

যা ঘটে গেল এশিয়া কাপ সামনে রেখে।এরকম সিচুয়েশনগুলোয় সাকিব বিসিবি মুখোমুখি দাঁড়িয়ে যায়।সেটা ইচ্ছাকৃত হোক বা অনিচ্ছাকৃত।
সাকিবের এই ডিসিশনে তিন পক্ষেরই লাভ হলো।

টোটাল উইন উইন গেইম।