২০০৯ সাল।বাংলাদেশ শ্রীলংকা জিম্বাবুয়ের ত্রিদেশীয় সিরিজে প্রথমবার ফাইনালে উঠে বাংলাদেশ। তাও টপ হয়ে।প্রথমবার কোন ত্রিদেশীয় সিরিজ ফাইনাল। ত্রিদেশীয় সিরিজ জেতার সুযোগ।কিন্তু প্রথমে ব্যাট করতে নেমে সেই পুরোনো ধস এবং ১৫২ রানেই অল আউট।যে স্বপ্ন দেখছিল তাতে হঠাতই ছেদ। হয়ত হবে না এবার।”ক্রিকেট ইজ এ গেম অফ গ্লোরিয়াস আনসার্টেইনিটি”- এই কথাটা সবার মনে পরে গেল সেকেন্ড ইনিংসেই যখন শ্রীলংকা ৬ রান উঠাতেই ৫ উইকেট হারিয়ে বসে।
জেতার মুহুর্ত
জেতার স্বপ্নটা আবার ফিরে এল পুরো টিম আবার চার্জড আপ হয়ে গেল।ফ্যানসরা আবার আশায় বুক বাধল।সেখানে বাধা হয়ে দাড়ালেন ক্লাসিক ব্যাটসম্যান সাংগাকারা। তিনি খেললেন তার স্বভাব বিরুদ্ধ এক ইনিংস। তিন ঘন্টার বেশি সময় দাঁড়িয়ে থেকে ৫৯ রানের ইনিংস খেলে সাকিবের বলে আউট হন তখনও বাংলাদেশের জন্য বেশ ভাল রকমের চান্স ছিল ফাইনাল জিতে যাওয়ার।মুত্তিয়া মুরালিধরন তখন কুইক ফায়ার ১৬ বলে ৩৩ রানের ইনিংস খেলে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান।বাংলাদেশ প্রথমবারের মত ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল হেরে বসে তাও এত কাছ থেকে। #SH
সাফল্য আর সার্থকতা যে দুইটা দুই জিনিস তার বাস্তব প্রমান মাশরাফি। সাফল্য খুব স্থুল একটা জিনিস।যে যত বেশি পায় এবং আরো পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা রাখে সেই সাফল্য পায়।কখনো চোর বাটপাররাও কিন্তু সফল হয়।উদাহরন বাস্তব জীবনে তাকালেই পাওয়া যাবে। কিন্তু সার্থকতা কি সবাই পায়???
বাস্তবিক জীবনে যে যত বেশি দেয় সে তত বেশি সার্থকতা লাভ করে।সেক্ষেত্রে মাশরাফি পুরো ক্রিকেট দুনিয়ায় সবচেয়ে সার্থক ব্যক্তিত্ব।
মন খারাপ।তারপরও ভাল আছি কথাটা মুখে সাইনবোর্ডের মত ঝুলিয়ে রাখতে হচ্ছে।এ তো অনুভুতির অপমান এর মত।রাতে কান্না পায় রাফসানের।বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে বিকেএসপিতে ডিস্কোয়ালিফাইড হয়েছে।সবাই জানে সে ভাল পেসার।কিন্তু রাইট টাইমে ক্লিকটা হয়নি।যেন মাশরাফির ২০১৯ বিশ্বকাপ।তার অতীতকে ভুলে যাওয়ার জন্য টুর্নামেন্ট যথেস্ট কি!!! যার ক্রিকেটিং ক্যারিয়ার ২০১২ তে শেষ হয়ে যাওয়ার কথা সেখানে তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন এখনও। ভাল থাকুন বাংলাদেশ ক্রিকেটের অক্সিজেন মাশরাফি। শুভজন্মদিন ম্যাশ। ❤ #MBM02
হঠাৎ ঘড়ির আওয়াজে বিজয়ের হুশ এলো। দাদার আমলের ঘড়ি, এখনো বিকট শব্দেই বাজে। মনে হয় যেন ছুটির ঘন্টা বাজছে। বিজয় আড়মোড়া ভেঙে ভাবতে লাগলো ইশশ কতক্ষণ না জানি এভাবে অচেতন ছিলাম। কত বেলা গড়িয়ে গেল। এবার উঠতে হবে। কিন্তু পেটে যে সকাল অবধি দানাপানি পড়েনি৷ উঠার শক্তিটুকুও নেই। রহিম কাকাও না জানি কই হারিয়ে গেলো। চিৎকার করে একবার ডাকবে ভাবলো, গলা দিয়ে স্বর ই বেরুচ্ছে নাহ৷
হাত-পাসহ পুরো শরীরটাই যেন অসাড় হয়ে আছে। উঠতে তো হবেই। উঠতে চাইলো জোর খাটিয়ে, অমনি মেঝেতে মুখ থুবড়ে পড়লো। না শরীরটা চলছেই নাহ। এ-ই মুহূর্তে কারো হাতে দেওয়া এক গ্লাস পানিও যেন অনেক বড় কিছু। হঠাৎ কারো উপস্থিতি অনুভূত হলো। এলোকেশী এক নারী নীল শাড়িতে। যেন হুমায়ুন আহমেদের রূপার আবির্ভাব। পরক্ষনেই ভাবলো আরে দূর…..। পুরো জীবনটাই সাহিত্য নির্ভর হয়ে গেছে আমার। অথচ একটা সময় ছিলো যখন আমি কিনা………..। থাক সেই গল্প অন্যদিন শোনাবো।
যা ভাবছিলো বিজয় তাই হলো। এ-ই উপস্থিতির অনুভূতি তার চেনা। বড্ড চেনা। এ যে তারই ভালোবাসার মানুষ আয়েশা। অভিমান ভরা চোখ নিয়ে তাকিয়ে আছে বিজয়ের দিকে। হাতে একগ্লাস পানি। বিজয়ের দিকে বাড়িয়ে দিলো। বিজয় পানির গ্লাসটা হাতে নিয়ে এক চুমুকেই খেয়ে নিলো। এরপর ঝাপসা চোখে সামনের দিকে তাকাতেই দেখে রহিম কাকা দাঁড়িয়ে আছেন।
রহিম কাকা : বাবা আমারে ডাকছিলেন…..???
বিজয়: হ্যাঁ। কই ছিলে এতক্ষণ?
রহিম কাকা : বাজারে গেছিলাম। নুন ফুরিয়ে গেছিলো।তোমাকে কত ডাকাডাকি করলাম উঠলে নাহ। ভাবলাম বেশ রাত করে ঘুমিয়েছো তাই হয়ত উঠছোনা। তাই বাইরে থেকে দরজা লাগিয়েই চলে গিয়েছি। এই বলে বিজয়কে তুলে চেয়ারে বসিয়ে দিলো।
বিজয় : কেউ এসেছিলো কাকা?
রহিম কাকা : না বাবা। ভাবী সাহেবারা তো কাল আইবো।
বিজয়ের মুখে আবার হতাশার চাপ। নাহ…। এ হতাশা তার পরিবারের জন্য নয়। বিজয় ভাবছে অন্যকিছু। আয়েশার অভিমান কি তবে এখনো ভাঙলোনা? মেয়েটার তো এতো রাগ ছিলোনা। তবে কি তাদের সম্পর্কের ইতি ঘটতে চলেছে এবার?
রহিম কাকা কিচেনের দিকে পা বাড়ালো৷ বিজয়ের খাওয়ার সময় হয়েছে।
ইদানীং বিজয়ের সব ভাবনা ঘিরেই কেন জানি আয়েশা বাস করে। কোথা হতে জানি আয়েশার অবয়ব চলে আসে কল্পনায়। বাস্তবে কি কখনো আয়েশা হিমুর রূপাবেশে বিজয়ের সামনে এসে দাঁড়াবে? মেয়েটা যে বড্ড লজ্জাবতী। ভাবতে ভাবতে বিজয় আবার আরেকটা সিগারেট ধরালো। সিগারেটের ধুঁয়ার উড়ে যাওয়া দেখে বিজয়ের কেন জানি আবার আয়েশার কথা মনে পড়ছে। তবে কি আয়েশা সূদুরে ভেসে যাবে? বিজয় আর কিছু ভাবতে পারছেনা। ক্ষিধে টাও চলে গেছে। মোবাইলে রবীন্দ্রগীতি চালু করে চেয়ারে গা এলিয়ে দিলো। সে আবার রবীন্দ্রগীতির পাগল কিনা। ঘোরের মধ্যে ডুবে গেলো ধীরে ধীরে…….।
রাত একটা সতের বাজে।ঘরে প্রচন্ড অন্ধকার।হঠাৎ দিয়াশলাই এর কাঠি জ্বলে উঠল।বিজয় তার ঠোঁটে থাকা সিগারেট ধরালো আর কাঠিটাকে ছুড়ে ফেলল সাথে ম্যাচ বাক্সকেও তার পিসিটেবিলে। যেখানে স্মোক এস্ট্রে পরে ছিল।বেনসনের দুটি প্যাকেট।বিজয়ের মুখের ধোঁয়াতে পুরো ঘর ছড়িয়ে গেল।বিজয়ের জুতার বাক্সের দিকে চোখ গেল।কয়েক জোড়া জুতা বাক্সের বাইরে পরে আছে।নতুন জুতার বাক্স কিনলে যা হয় আর কি।পুরোনো অভ্যাস কি যায়।বিজয়ের সিগারেট অর্ধেক শেষ হয়ে গেল এতটুকু ভাবতেই।সিগারেট টানতে টানতে জুতাগুলোর দিকে অবাক হয়ে দেখছিল।ঐ জুতাগুলো যারা পরে তাদের এক একজনের প্রেশার, পারসেপশন ভিন্ন।কিন্তু জাজ করতে গেলে তো এত্ত কিছু চিন্তা করা হয়না।একটু চিন্তা করলে তো বাক-বিতন্ডা কমে যায়
মোবাইল এক হাতে নিয়ে আয়েশাকে স্যরি লিখে ম্যাসেজ করল।আর রিপ্লাইয়ের অপেক্ষা করতে লাগল।রাত বারোটার দিকে আয়েশার সাথে ঝগড়া হয়ে যায়। এতই যদি ভালবাসি তো ঝগড়া আসবে কেন?? এসব কথা ভাবতেই বিজয় আরেকটি সিগারেট ধরালো।আর অপেক্ষা করতে লাগলো। কিন্তু নাহ…। কোন খবর নেই আয়েশার।
অপেক্ষা করতে করতেই ভোর হয়ে এলো।বাইরে আজান দিচ্ছে। আজানের শব্দে নিরবতা ভাঙলো বিজয়ের। উঠে দাঁড়ালো সে। নামাজটা পড়ে নেই। সকালে নাহয় কল দিবো। নামাজ সেরে জানালা খুলে আকাশ পানে তাকালো বিজয়। আকাশটা আজ কেমন জানি মলিন মনে হচ্ছে। হয়ত বিজয়ের মনের আকাশেই মেঘ জমেছে। যে মেঘ কাটিয়ে হয়ত এখুনি নামবে বৃষ্টি। বিজয় স্বভাবতই এতোটা দুর্বল হয়না৷ তারপরও কেন যেন আজ নিজেকে বড্ড অসহায় মনে হচ্ছে।
সময় পেরিয়ে যাচ্ছে। আয়েশার কোনো হদিস নেই। বিজয় অপেক্ষা করেই যাচ্ছে। অপেক্ষার প্রহর গুলোও দীর্ঘ মনে হচ্ছে তার। তারপরও মনে হচ্ছে সে অনন্তকাল অপেক্ষায় থাকবে। বেলা গড়িয়ে বারোটা প্রায়৷ বিজয় এখনো কিছু মুখে তুলেনি। শুধুমাত্র সিগারেট টাই হাতে জ্বলজ্বল করছে। আর তার ধোঁয়ায় চারপাশটা আচ্ছন্ন। শরীরটা অবশ হয়ে আসছে ধীরে ধীরে। বিজয় চেয়ারে হেলান দিয়ে বসলো৷ একটা সময় সিগারেট টাও হাত থেকে গড়িয়ে পড়লো মাটিতে। বিজয়ের চোখ বন্ধ হয়ে এলো। গা এলিয়ে চেয়ারেই অচেতন হয়ে পড়লো বিজয়। এভাবে না জানি কতক্ষণ ছিলো। তার হিসেব কে রাখে……..
ওয়ার্ল্ড কাপ ২০১৯ এর ভেন্যুগুলো নিয়ে ক্রিকম্যাকের বিশেষ আয়োজন।
কেনিংটন ওভাল এবং ট্রেন্টব্রিজ গ্রাউন্ডের পর আজ কাউন্টি গ্রাউন্ড, ব্রিস্টল নিয়ে কিছু আলোচনা হবে।এই মাঠটি এশলি ডাউন গ্রাউন্ড নামেও পরিচিত।এই মাঠটি খোলা হয় ১৮৮৯ সালে।এই মাঠের দর্শকধারন ক্ষমতা ১৫০০০।দুটি এন্ড প্যাভিলিয়ন এন্ড এবং এশলি ডাউন রোড এন্ড নামে পরিচিত। ওয়ার্ল্ড কাপ ২০১৯ এ এই মাঠে তিনটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ১/ আফগানিস্তান বনাম অস্ট্রেলিয়া ২/ পাকিস্তান বনাম শ্রিলংকা ৩/ বাংলাদেশ বনাম শ্রিলংকা
স্ট্যাট: ★ ম্যাচ: ২৪ ★প্রথমে ব্যাট করে জয়: ১০ ★প্রথমে বল করে জয়: ১৩ ★এভারেজ স্কোর:১ম ইনিংস: ২৩৯ ২য় ইনিংস: ২১০ ★হাইয়েস্ট টোটাল: ৩৭৩/৫(৫০ ওভার) ইংল্যান্ড প্রমিলা দল বনাম দক্ষিন আফ্রিকা প্রমিলা দল ★লোয়েস্ট টোটাল: ৯২/১০(২৪.৫) জিম্বাবুয়ে বনাম ইংল্যান্ড
ওয়ার্ল্ড কাপ ২০১৯ এর ভেন্যুগুলো নিয়ে ক্রিকম্যাকের বিশেষ আয়োজন।
প্রথম লেখাটা থাকছে কেনিংটন ওভাল নিয়ে যেটা লন্ডনে অবস্থিত।এটা দ্যা ওভাল নামেও পরিচিত।এছাড়া আরেক নাম আছে এটার দ্যা ফস্টার ওভাল।এই মাঠ খোলা হয় ১৮৪৫ সালে।এই মাঠে মোট ২৩৫০০ জন একসাথে খেলা দেখতে পারে।দুই এন্ড প্যাভিলিয়ন এন্ড এবং ভক্সহল এন্ড নামে পরিচিত। এ মাঠে এখন পর্যন্ত কোন আন্তর্জাতিক খেলা ফ্লাডলাইটের আলোয় হয়নি।এটি ইংল্যান্ডের প্রথম মাঠ এবং বিশ্বের ২য় মাঠ হিসেবে পরিচিত। প্রথম হল মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড।ইংল্যান্ড তাদের গ্রীষ্মকালীন চুড়ান্ত টেষ্ট এ মাঠে খেলে থাকে।
ওয়ার্ল্ডকাপ ২০১৯ এর উদ্বোধনি ম্যাচ সহ মোট ৫টি ম্যাচ হবে এ মাঠে।
১. ইংল্যান্ড বনাম দক্ষিন আফ্রিকা ২. দক্ষিন আফ্রিকা বনাম বাংলাদেশ ৩. বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ড ৪. ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়া ৫. শ্রিলংকা বনাম অস্ট্রেলিয়া
স্ট্যাট: ★মোট ম্যাচ: ৬৭ ★প্রথমে ব্যাট করে জয়: ২৬ ★প্রথমে বল করে জয়: ৩৯ ★এভারেজ স্কোর : প্রথম ইনিংস ২৪৯ দ্বিতীয় ইনিংস ২১৩ ★হাইয়েস্ট টোটাল: ৩৯৮/৫(৫০ ওভার) নিউজিল্যান্ড বনাম ইংল্যান্ড ★লোয়েস্ট টোটাল: ১০৩/১০(৪১ ওভার) ইংল্যান্ড বনাম দক্ষিন আফ্রিকা।
ওয়ার্ল্ড কাপ ২০১৯ এর ভেন্যুগুলো নিয়ে ক্রিকম্যাকের বিশেষ আয়োজন।
প্রথম লেখাটা ছিল কেনিংটন ওভাল নিয়ে। আজ দ্বিতীয় লেখাটা থাকছে ট্রেন্টব্রিজ নিয়ে যা ট্রেন্টব্রিজ গ্রাউন্ড হিসেবেই পরিচিত। এই স্টেডিয়াম প্রথম খোলা হয় ১৮৪১ সালে।মোট দর্শক ক্যাপাসিটি এখন ১৭০০০ জন।দুইটি এন্ড প্যাভিলিয়ন এন্ড আর রেডক্লিফ এন্ড নামেই পরিচিত।এই মাঠে একসময় ফুটবল খেলাও হত সেটা ১৮৬০ সাল থেকে ১৯১০ সাল সময়কালে।
ওয়ার্ল্ডকাপ ২০১৯ এ এই মাঠে অনুষ্ঠিত হবে মোট ৫টি ম্যাচ। ১/ ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম পাকিস্তান ২/ ইংল্যান্ড বনাম পাকিস্তান ৩/ অস্ট্রেলিয়া বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৪/ ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড ৫/ অস্ট্রেলিয়া বনাম বাংলাদেশ
স্ট্যাট: ★মোট ম্যাচ: ৪৪ ★প্রথমে ব্যাট করে জয় ১৮ ★প্রথমে বল করে জয় ২৩ ★এভারেজ স্কোর:প্রথম ইনিংস ২৫০ দ্বিতীয় ইনিংস ২১৬ ★হাইয়েস্ট টোটাল:৪৮১/৬(৫০) ইংল্যান্ড বনাম অস্ট্রেলিয়া ★লোয়েস্ট টোটাল: ৮৩/১০(২৩)দক্ষিন আফ্রিকা বনাম ইংল্যান্ড।
This is the first post on my new blog. I’m just getting this new blog going, so stay tuned for more. Subscribe below to get notified when I post new updates.