না চাওয়া বিদায়।

বিদায়ের সময়ে মেসি।

ইউটিউবে চ্যানেলটি থেকে যখন লাইভ শুরু হল অন্য চ্যানেলের মত এটিও শিডিউল করা ছিল।শুরুতে অন্য ভিডিওর মত প্রোমো গেল।এ যেন ভিন্ন আবেগ ছড়াচ্ছিল। প্রোমো চলাকালীন অবস্থায়ই প্রায় ৩ লক্ষ মানুষ ঐ চ্যানেলে ভিডিও দেখছিল।

বক্তা পোডিয়ামে এলেন।নিজের বক্তব্য রাখছিলেন।সেকেন্ডে সেকেন্ডে ভিউয়ার বাড়ছেই। উনি যখন ধন্যবাদ জানিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পরলেন তখন ভিউয়ার ছিল ৫ লাখ ৯০ হাজারেরও বেশি।

যখন স্ট্যান্ডিং অভেশন শেষ হল তখন ভিউয়ার সংখ্যা ৬ লক্ষ ৫৩ হাজার পেরিয়ে গেল।সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তর পর্বে ভিউয়ারের সংখ্যা ৬ লাখ ৫০ হাজারের নিচে নামেনি।এটা কেবল ইউটিউবের একটি চ্যানেলের হিসেব।এই লাইভ ফেসবুক বা অন্যান্য সোশ্যাল প্লাটফর্মে ভিউ হয়েছে।

আমি হিসেবটা দিলাম লাইভ চলাকালীন আশেপাশের হিসাব।তাও এক চ্যানেলের।

ঐ ভিডিওটি লাইভ অবস্থায় কম বেশি ৭ কোটি মিনিটের বেশি সময় দেখা হয়।
লাইভ ভিডিওটি বার্সেলোনা চ্যানেলের মেসির বিদায়ের অফিশিয়াল প্রেস কনফারেন্সের।

জানিনা ফিরবেন কিনা ২০২৩ এ এফসিবিতে জাদুকর।
সেই খেলা দেখার সময় শেষ হয়ে যায় এই বিদায়ের পর।

দুই দেশের কালচার ফুটে উঠার সিরিজ

হোটেলে কোনো রুম সার্ভিস গ্রহণ করছে না অজিরা।
তারা ভালমতো জানে তাদের কি দরকার।
অনেকেই বিরক্ত হচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ার এরকম শর্তে কিংবা সাবধানি আচরণে।


আমার তো মনে হচ্ছে তারা একটা উদাহরণ সেট করে দিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশের ক্রীড়া রিলেটেড সকলের জন্য।নিজেরা নিজেদের ভাল না বুঝলে অন্যকেউ বুঝায় দিবে না।

আরেকটা ইনফরমেশন দেই,গত বছর অজি প্লেয়াররা যারা আইপিএল খেলেছিলেন তাদেরকে সরাসরি অস্ট্রেলিয়া যেতে নিষেধ করে দেয়া হয় কোভিড সিচুয়েশনের জন্য।অস্ট্রেলিয়ান বোর্ড সাফ জানিয়ে দেয় তারা নিজ উদ্যোগে গেছে।তাদের দায় তারাই নিবে।

পরে অস্ট্রেলিয়ার সব প্লেয়ার প্রথমে মালদ্বীপে যায় সেখানে কোয়ারেন্টিন সম্পন্ন করে।সেখান থেকে অস্ট্রেলিয়া যায়।কারন তখন ভারতে চলছিল ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের তান্ডব।

আর এই টিম এসেছে বোর্ডের দায়িত্বে অতএব এমনটা আমি স্বাভাবিক দেখি।বিসিবি নিজেদের ভাল বুঝে থাকলে তাদের ভালটার প্রতি রিস্পেক্ট রাখা উচিত এবং রাখছেনও তারা।কিন্তু সংবাদ মাধ্যম রেস্পেক্ট রাখছে কি!
সোশ্যাল প্লাটফর্মে এত ট্রল মিম করে লাভ নেই!
এরকম প্যান্ডামিকে অতি সাবধানে চলাটাই ভাল।

৫ ম্যাচ টি-টুয়েন্টি সিরিজ খেলতে অস্ট্রেলিয়া এখন বাংলাদেশে।৩ ও ৪ তারিখ দুইটি টি-টুয়ান্টি এরপর ৫ তারিখ ব্রেক নেয়ার পর ৬, ৭ তারিখ দুইটি টি-টোয়েন্টি এরপর সর্বশেষ টি-২০ এ মাসের নয় তারিখ।